কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের উদ্যোগে জেনারেল হাসপাতাল ও সদর উপজেলা পরিষদে মাস্ক সরবরাহ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে আজ সোমবার সকাল ১১ টার সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলিগের সিনিয়র সহ সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম জেলা পরিষদের রাজস্ব অর্থায়নে মাস্ক সরবরাহ পরিচালনা করেন। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ১০ হাজার মাস্ক ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদে ২ হাজার মাস্ক সরবরাহ করা হয়। গত বছর করোনার প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ কুষ্টিয়া জেলাকে সুরক্ষা দিতে প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে দেখা যায়। সেই ধারাবাহিকতা চালু রাখতেই আজকের এই কার্যক্রম কর্মসুচি। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে করোনা মোকাবিলাই কাজ করে যাচ্ছে ডাক্তার সহ সেচ্ছাসেবক, মাস্ক সরবরাহ থাকলে সেখানে দায়িত্বরত সকলে কিছুটা হলেও সুরক্ষাই থকতে পারবে সেটা ভেবেই জেলা পরিষদের এই উদ্যোগ।

মাস্ক সরবরাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা মুন্সী মো: মনিরুজ্জামান। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আর,এম,ও ডা. তাপস কুমার। ডা. তাপস কুমার বলেন করোনা শুরু থেকেই জেলা পরিষদ জেনারেল হাসপাতালে যেভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে তাতে আমরা কৃতজ্ঞ, যখন আমাদের সহযোগিতা প্রয়োজন ছিলো তখন থেকেই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমাদের মাননীয় সাংসদ জনাব হানিফ সাহেবের কাছ থেকে আমাদের হাসপাতালে যাবতীয় সুবিধা সমুহ প্রদান করেন। সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক, তিনি তার যায়গা থেকে যেভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তা অনেকেই করেনা, তিনি রাজনৈতিক ভাবে আমাদের এম,পি মহদ্বয়ের দিক নির্দেশনা অনুসরণ করে দায়িত্বের সাথে রাজনৈতিক উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড করে যাচ্ছেন। হাসপাতালের পক্ষে ১০ হাজার মাস্ক গ্রহন করেন, হাসপাতালের আর,এম,ও ডা. তাপস কুমার। ও সদর উপজেলার পক্ষে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ২ হাজার মাস্ক গ্রহন করেন মাস্ক সরবরাহ শেষে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম বলেন যেহেতু আমারা এখনো করোনা প্রতিরোধে কোন ভ্যাক্সিন পাইনি তাই মাস্ককেই আমাদের ভ্যাক্সিন মনে করে এটার উপর গুরুত্ব দিতে হবে, মাস্ক ব্যাবহারে করোনা থেকে অনেকটা সুরক্ষা পাওয়া যেতে পারে তাই আমাদের সকলের মাস্ক বাধ্যতামূলক ভাবে ব্যাবহার করতে হবে। এখন সকল ক্ষেত্রে বলা আছে নো মাস্ক নো সার্ভিস। তিনি আরও বলেন জেলা পরিষদ পর্যায়ক্রমে সব যাইগাতেই মাস্ক সরবরাহ করবে।